★টাক কি ? আমরা অনেকেই জানিনা ।

★টাক কি ?
টাক বলতে প্রধানত যেটা বোঝানো হয় সেটা এন্ড্রো জেনেটিক অ্যালোপেসিয়া।
.
দায়ী:
★ কিছুটা পুরুষ হরমোন
★ কিছুটা বংশগতি
.
ঘটনা কি ঘটে ?
শুরুটা কুড়ি থেকে ত্রিশ এর মধ্যেই। প্যাটার্ন টা হল প্রথমে মাথার সামনের দুপাশের চুল পাতলা হতে থাকে। অনেকটা ইংরেজির এম (M) আকৃতির। তারপর মাথার পিছনের অক্সিপিটাল অঞ্চলের পালা। বেশ কিছু পর্যায় পেরিয়ে মাথার ফাঁকা অংশ বড় হতে থাকা।তখন শুধু দিনগুলা আর নিজের অল্প বয়সের ছবির দিকে চেয়ে বুক খালি করা দীর্ঘশ্বাস ফেলা।
.
মেয়েদের কি টাক হয় ?
মেয়েদেরও হতে পারে, বিশেষ করে রজঃনিবৃত্তির পর পুরুষ হরমোন- স্ত্রী হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে বাড়তে পারে সমস্যা।
.
টাক হওয়ার কারণ কি ?
চুল পড়ার অনেকগুলো কারণ আছে, যেমন:
.
★হাইপোথাইরয়েড
★কোন ক্রনিক অসুখ
★ টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া জাতীয় জ্বরের পরে
★দুর্ঘটনা
★অস্ত্রোপচার
★ খুশকির সমস্যা
★ পানির সমস্যা
★এয়ার পলিউশন
★ মানহীন শ্যাম্পু ব্যবহার
★মানহীন মাথার তেল ব্যবহার
★ মাথার ত্বকের কোন চর্মরোগ
★ ফাংগাল
★ পুষ্টিহীনতা
★ভিটামিনের অভাব
★ ক্রাশ ডায়েট করে স্লিম হতে গিয়েও চুলের সর্বনাশ করেন অনেক কিছুর তরুণী। এজাতীয় চুল পড়াকে বলে টেলোজেন ইফ্লুভিয়াম । অর্থাৎ কেশ মূল ফলিকলগুলো হঠাৎ নিষ্ক্রিয় বা এলো যে অবস্থায় পৌঁছতে শুরু করে , যার পরিণতি চুল ঝরে যাওয়া।
★ ক্যান্সারের ওষুধ থেকে চুল পড়ে যেতে পারে।
★ থাইরয়েড বা কিডনির সমস্যার কারণে চুল পড়ে যেতে পারে।
★ রক্ত স্বল্পতার জন্য চুল পড়ে যেতে পারে।
★ এমনকি অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে চুল পড়তে পারে।
এছাড়া আরো অনেকগুলো কারণ আছে।
.
স্বাভাবিক ভাবে প্রতিদিন কতটি চুল পড়তে পারে ?
রোজ ৬০ থেকে ১০০ কি চুল পড়ে, আবার সমপরিমাণ চুল গজায়। এটাই নিয়ম। এর থেকে বেশি চুল পড়া সমস্যার শুরু।
.
চিকিৎসা:
কারন সহ চিকিৎসাটা একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় শুরু হলেই ভালো, সারিয়ে দেওয়া না গেলেও কয়েক বছর পিছিয়ে দেওয়া যায় টাক পড়া।
.
হিজামা কাপিং থেরাপি মাধ্যমে চুল পড়া রোধ করা ও নতুন চুল গজানোর জন্য অনেক বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে এখন

হিজামা /কাপিং থেরাপি এর মাধ্যমে চুল পড়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রে ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায় , কিন্তু তা সব ক্ষেত্রে নয়।
এখানেও কারণ খুঁজে চিকিৎসা করতে হয়, না হয় সাময়িক একটু ভালো লাগলেও পরবর্তীতে আবার সমস্যা শুরু হয়। আর হিজামা করলে সকল টাকে যে চুল গজাবেই বিষয়টি এমন না।
.
চুলের গোড়ায় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ও পুষ্টি সরবরাহ বাড়িয়ে দেওয়া যায় হিজামার মাধ্যমে। ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রথম অবস্থায় চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন চুল গজায়। চুল পড়া বন্ধের জন্য চমৎকার কাজ করে হিজামা।
.
তাই চুল পড়া বন্ধের জন্য যার কাছ থেকে হিজামা/ কাপিং থেরাপি নিবেন আগে দেখুন তিনি একজন চিকিৎসক কিনা।চিকিৎসক না হলে সঠিক কারণ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা করাটা সম্ভব নয়।
.
কিছু কিছু টাকের ক্ষেত্রে কখনোই চুল গজাবে না ও চুল পড়া বন্ধ হবে না। তাই , হিজামা করলেই যে সকল ধরনের টাক ডেকে যাবে বিষয়টি এমন না।
.
কথায় বলে বিজ্ঞাপনের গরু গাছে উঠে , তাই হিজামার মাধ্যমে সব টাকে চুল গজাবে এ বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ না হয়, জেনে-বুঝে একজন চিকিৎসকের মাধ্যমে হিজামা করুন, তাহলে উপকৃত হবেন।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started