#টেনিস_এলবোঃ_লক্ষণ_ও_প্রতিকার ঃ

#টেনিস_এলবোঃ_লক্ষণ_ও_প্রতিকার ঃ

টেনিস এলবো এটি কুনুই ব্যাথার অন্যতম কারন, টেনিস খেলোয়াড়দের এই সমস্যা বেশী দেখা দেয় বলে একে টেনিস এলবো বলা হয়। মেডিকেল পরিভাষায় এটাকে ল্যাটারাল ইপিকন্ডালাইটিস বলে।

আর্থ্রাইটিস সমস্যার মধ্যে অন্যতম হলো টেনিস এলবো ও কনুই ব্যথা। টেনিস এলবো একটি ইনজুরি জাতীয় হাতের সমস্যা। টেনিস খেলোয়াড়দের এ সমস্যা বেশি দেখা দেয় বলে একে টেনিস এলবো বলা হয়। এ জাতীয় সমস্যা অন্য খেলোয়াড়দেরও হতে পারে। ক্রিকেট, গলফ, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, তীর নিক্ষেপ ইত্যাদি খেলায়ও ভুল টেকনিকের কারণে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্যার কারণে খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকতে হয়। তা ছাড়া সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র, গৃহিণী, মিস্ত্রি, শ্রমিক, যাদের হাতের কাজ বেশি করতে হয় তাদেরও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে । সমস্যার শুরুতে

হাতের কনুইয়ের বাইরের দিকে ব্যথা অনুভব হয়, হাতের নড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে, ব্যথা কনুই থেকে শুরু হয়ে হাতের বাইরের পাশ দিয়ে আঙ্গুল পর্যন্ত যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগী জোড়ার ভিতর ব্যথা অনুভব করে, কনুইয়ের বাইরের দিকে চাপ দিলে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে, দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে হাতের মাংসপেশির শক্তি ও হাতের কর্মক্ষমতা কমে আসে।

অনেক ক্ষেত্রে এ সমস্যার কারনে খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিন খেলার বাহিরে থাকতে হয়। যেমন বিশ্বসেরা ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার এই রোগে বেশী আক্রান্ত থাকতেন।

লক্ষণসমুহ:
১. হাতের কনুইয়ে ব্যথা অনুভব হয় ,
২. হাতের নড়াচাড়া বা কাজকর্মে ব্যথা বেড়ে যায়,
৩. ব্যথা কনুই থেকে শুরু হয়ে হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত যেতে পারে,
৪. অনেক ক্ষেত্রে রোগী কনুইয়ের জোড়ার ভিতর ব্যথা অনুভব করে,
৫.কনুইয়ের বাহিরের দিকে চাপ দিলে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করে।

দীর্ঘদিন এই অসুখে ভূগলে হাতের মাংপেশীর শক্তি ও হাতের কর্মক্ষমতা কমে আসে, যার ফলে হাত দুর্বল হয়ে যায়। সাধারণত এই রোগ নিরণয়ে কোন পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না,একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ক্লিনিক্যালি এই রোগ নিরণয় করতে পারেন ।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started